Skip to main content

প্রতিষ্ঠাতা ও শেষ সম্রাট

  1. ● মোঘল বংশের প্রতিষ্ঠাতা বাবর ।
  2. ● মোঘল বংশের শেষ সম্রাট দ্বিতীয়বাহাদুর শাহ ।
  3. ● মোঘল বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট আকবর ।
  4. ● সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা সামন্ত সেন ।
  5. ● সেন বংশের শেষ সম্রাট সূর্য সেন।
  6. ● সেন বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট বিজয় সেন।
  7. ● গুপ্ত বংশের প্রতিষ্ঠাতা শ্রীগুপ্ত ।
  8. ● গুপ্ত বংশের শেষ সম্রাট বিজয় গুপ্ত ।
  9. ● গুপ্ত বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট সমুদ্রগুপ্ত ।
  10. ● লোদী বংশের প্রতিষ্ঠাতা বহলুললোদী ।
  11. ● লোদী বংশের শেষ সম্রাট ইব্রাহিমলোদী ।
  12. ● লোদী বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট ইব্রাহিমলোদী ।
  13. ● সাতবাহন বংশের প্রতিষ্ঠাতা সিমুকসাতবাহন ।
  14. ● সাতবাহন বংশের শেষ সম্রাট যজ্ঞশ্রীসাতকর্ণী ।
  15. ● সাতবাহন বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাটগৌতমীপুত্র সাতকর্ণী ।
  16. ● তুঘলক বংশের প্রতিষ্ঠাতাগিয়
  17. াসউদ্দিন তুঘলক ।
  18. ● তুঘলক বংশের শেষ সম্রাট নাসিরুদ্দিনমামুদ ।
  19. ● তুঘলক বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট মহম্মদ বিনতুঘলক ।
  20. ● পুষ্যভূতি বংশের প্রতিষ্ঠাতা প্রভাকরবর্ধন ।
  21. ● পুষ্যভূতি বংশের শেষ সম্রাট হর্ষবর্ধন ।
  22. ● পুষ্যভূতি বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট হর্ষবর্ধন ।
  23. ● সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা খিজিরখাঁ ।
  24. ● সৈয়দ বংশের শেষ সম্রাট আলাউদ্দিনআলম শাহ ।
  25. ● সৈয়দ বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট মোবারকশাহ ।
  26. ● পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল ।
  27. ● পাল বংশের শেষ সম্রাট মদন পাল ।
  28. ● পাল বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট দেবপাল ।
  29. ● খলজি বংশের প্রতিষ্ঠাতাজালা
  30. লউদ্দিন খলজি ।
  31. ● খলজি বংশের শেষ সম্রাট কুতুবউদ্দিনমোবারক খলজি ।
  32. ● খলজি বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাটআলাউদ্দিন খলজি ।
  33. ● চোল বংশের প্রতিষ্ঠাতা বিজয়ালয়।
  34. ● চোল বংশের শেষ সম্রাট কুলতুঙ্গ ।
  35. ● চোল বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট রাজেন্দ্রচোল ।
  36. ● দাস বংশের প্রতিষ্ঠাতা কুতুবুদ্দিনআইবক ।
  37. ● দাস বংশের শেষ সম্রাট কায়ুর্মাস ।
  38. ● দাস বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট ইলতুৎমিস ।
  39. ● পহ্লব বংশের প্রতিষ্ঠাতা সিংহবিষ্ণু ।
  40. ● পহ্লব বংশের শেষ সম্রাট অপরাজিতবর্মণ ।
  41. ● পহ্লব বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট নরসিংহবর্মণ ।
  42. ● মৌর্য বংশের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্তমৌর্য ।
  43. ● মৌর্য বংশের শেষ সম্রাট বৃহদ্রথ ।
  44. ● মৌর্য বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট অশোক ।
  45. ● চালুক্য বংশের প্রতিষ্ঠাতা প্রমথপুলকেশী
  46. ● চালুক্য বংশের শেষ সম্রাট দ্বিতীয়কীর্তি বর্মণ।
  47. ● চালুক্য বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট দ্বিতীয়পুলকেশী ।
  48. ● হর্ষঙ্ক বংশের প্রতিষ্ঠাতাবিম্
  49. বিসার ।
  50. ● হর্ষঙ্ক বংশের শেষ সম্রাট নাগদাস ।
  51. ● হর্ষঙ্ক বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট অজাতশত্রু।

***এই ব্লগ পত্রিকায় লেখা পাঠানোর জন্য ও পুরষ্কার সংক্রান্ত নির্দেশনামার জন্য ক্লিক করুন:

Comments

Popular posts from this blog

আদি সমাজতন্ত্র বাদী বা কাল্পনিক সমাজতন্ত্র লেখক- সুমন্ত ঘোষ

সমাজতন্ত্রবাদ একটি বিশেষ অর্থনৈতিক মতবাদ শিল্প বিপ্লবের প্রসারের সাথে সাথে বিভিন্ন দেশে কয়েকজন খ্যাতনামা সমাজতান্ত্রিক এর আবির্ভাব হয় । এই সমস্ত সমাজতান্ত্রিক কল্পনা করেছিলেন এমন এক সমাজ ব্যবস্থার যেখানে সকলেই নিজ নিজ যোগ্যতা অনুসারে কাজ করবে এবং সকলের শ্রম থেকে পাওয়া আয় সকলের মধ্যে ন্যায্যভাবে বন্টন করা হবে। মূলত এই মতবাদ প্রচলিত গণতন্ত্রবাদের মূলে কুঠারাঘাত করে যৌথ বা সামাজিক নিয়ন্ত্রণ এর ভিত্তিতে নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থার পথ নির্দেশ করে সেটাই সমাজতন্ত্রবাদ । সমাজতন্ত্রবাদীদের মধ্যে তত্ত্বগত মতভেদ আছে। মাক্স পূর্ববর্তী সমাজতন্ত্রবাদীদের আদি সমাজতন্ত্র বাদী বলা হয়। যাদের utopian বা অবাস্তব আদর্শবাদী বলে আখ্যায়িত করেছেন। এই আদি সমাজতন্ত্রবাদীদের মধ্যে একজন ছিলেন ইংল্যান্ডের রবার্ট ওয়েন। প্রথম জীবনে তিনি ছিলেন ম্যানচেস্টারের একটি কাপড়ের কলের ম্যানেজার। ম্যানেজার হিসেবে তিনি যথেষ্ট দক্ষতার পরিচয় দেন। কিন্তু factory প্রথার যাবতীয় কুফল দেখে তিনি শ্রমিকশ্রেণীর উন্নতি সাধনে তার জীবনের আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করেন। নিউ ল্যানার্কে একটি আদর্শ শিল্পনগর স্থাপন করে শ্রমিক সাধারণের সর্বপ্রক...

কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাসে শর্ট প্রশ্ন

১   ) হিট্রো - গ্রাফি   কথার   অর্থ   কি                                                                         উত্তরঃইতিহাস   চর্চা ২ )  ইতিহাসের   জনক কাকে বলে                                                                        উত্তরঃহেরোডোটাস ...

কলকাতা দাঙ্গা বা প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস (The Great Calcutta Killing বা Direct Action Day). লেখক: সুরঞ্জন দাস

কলকাতা দাঙ্গা, ১৯৪৬  : ১৯৪৬ সালের ১৬ আগস্ট কলকাতায় সংঘটিত একটি ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষ। এ সহিংসতা ভারতের হিন্দু ও মুসলমান দুটি বৃহৎ সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরাজমান ঘৃণা ও অবিশ্বাস থেকে সৃষ্টি হয়েছিল। মুসলিম লীগের পাকিস্তান দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে ১৯৪৬ সালের ১৬ আগস্টকে প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। উপমহাদেশের সর্বত্র মুসলমানগণ ওই দিন সকল কাজ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। অন্যদিকে, হিন্দু জনমত পাকিস্তান-বিরোধী শ্লোগানকে কেন্দ্র করে সুসংগঠিত হতে থাকে। বাংলার কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ তেমন একটা হিন্দু সাম্প্রদায়িক ছিলেন না। কিন্তু যেহেতু দলের অধিকাংশ সমর্থক ছিল হিন্দু, তাই কংগ্রেস সদস্যদের একটি অংশ পাকিস্তান আন্দোলনকে আসন্ন বিপদ হিসেবে উপলব্ধি করে হিন্দুদের একাত্মতা বিষয়ে প্রবল অনুভূতি প্রকাশ করার প্রয়াস পায়। তাদের প্রচারণা নিঃসন্দেহে প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবসের বিরুদ্ধে হিন্দুদের চেতনাকে প্রজ্বলিত করেছিল। বিশেষত লীগ মন্ত্রিসভা ক্ষমতায় থাকার কারণে ওই দিবস বাংলায় সফল হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। ১৬ আগষ্ট ভোরে উত্তেজনা শুরু হয় যখন লীগের স্বেচ্ছাসেবকেরা উত্তর কলকাত...