Skip to main content

ভারতের ইতিহাসের জনক-জননী ব্যক্তিবর্গ



আধুনিক ভারতের জনক : রাজা রামমোহন রায়

ভারতের জাতির জনক: মহাত্মা গান্ধী

ভারতের জাতীয়তাবাদের জনক : রাজা রামমোহন রায়

ভারতের সংগ্রামশীল জাতীয়তাবাদের জনক : বাসুদেব বলবন্ত ফাড়কে

ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের জনক : অ্যালান অক্টাভিয়াম হিউম্যান

আধুনিক ভারতীয় জাতীয়তাবাদের জনক : স্বামী বিবেকানন্দ ( কিছু ঐতিহাসিক বলেছেন )

পশ্চিম ভারতের ধর্ম সংস্কার আন্দোলনের জনক : গোপাল হরি দেশমুখ

আধুনিক রেলপথের জনক : লর্ড ডালহৌসি

আধুনিক পাঞ্জাবের জনক : লর্ড ডালহৌসি 

ভারতীয় সিভিল সার্ভিসের জনক: লর্ড কর্নওয়ালিস

ভারতের বিপ্লববাদের জননী : মাদাম ভিকাজী কামা 

ভারতের রায়তওয়ারি ব্যবস্থার জনক : স্যার টমাস মনরো

ভারতের মহলওয়ারি ব্যবস্থার জনক : হোল্ট ম্যাকেঞ্জি

মহারাষ্ট্রে সংগ্রামশীল জাতীয়তাবাদের জনক : বাসুদেব বলবন্ত ফাড়কে


ভারতের বিক্ষোভের জনক : বালগঙ্গাধর তিলক

ভারতের আধুনিক বিচারব্যবস্থার জনক : ওয়ারেন হেস্টিংস 

ভারতের দ্বিজাতি তত্ত্বের প্রবক্তা : স্যার সৈয়দ আহমেদ খান

ভারতবর্ষে ওয়াহাবি আন্দোলনের জনক  : উত্তরপ্রদেশের রায়বেরেলির সৈয়দ আহমেদ

পূর্ব এশিয়ার স্বাধীনতা সংগ্রামের জনক : রাসবিহারী বসু

ভারতের সংবিধানের জনক : ডঃ বি আর আম্বেদকর

ভারতীয় সাংবাদিকতার জনক : জেমস অগাস্টাস হিকি 

ভারতের জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের জনক : জওহরলাল নেহেরু 

বাংলা গদ্য সাহিত্যের জনক : রাজা রামমোহন রায়

আধুনিক অন্ধ্রের জনক : বিরসা লিঙ্গম পানতুলু

আধুনিক হিন্দি সাহিত্যের জনক : ভারতেন্দু হরিশচন্দ্র

হিন্দি ভ্রমণ মূলক সাহিত্যের জনক : রাহুল সাংকৃত্যায়ন

আধুনিক তামিল গদ্য-সাহিত্যের জনক : অরুমুক নভলর

গুজরাটি গদ্য সাহিত্যের জনক : নর্মদাশঙ্কর লালশংকর 

আধুনিক অসমীয় সাহিত্যের জনক : আনন্দরাম টেকাইলফুক্কন

আধুনিক বাংলা গদ্য সাহিত্যের জনক:  ঈশ্বর গুপ্ত

আধুনিক মিশন সমূহের জনক : উইলিয়াম কেরি

ভারতের প্রাগৈতিহাসিক প্রত্নতত্ত্বের জনক : রবার্ট ব্রুসফুট

জাতীয় বিজ্ঞানচর্চার জনক : ডক্টর মহেন্দ্রলাল সরকার

ভারতীয় ঔষধ শিল্পের জনক : আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় 

বাংলা ব্যঙ্গচিত্রের জনক : গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভারতীয় উদ্ভিদবিদ্যার জনক : ডক্টর উইলিয়াম রক্সবার্গ

বাংলা মুদ্রণ শিল্পের জনক : চার্লস উইলকিনস


Comments

Popular posts from this blog

আদি সমাজতন্ত্র বাদী বা কাল্পনিক সমাজতন্ত্র লেখক- সুমন্ত ঘোষ

সমাজতন্ত্রবাদ একটি বিশেষ অর্থনৈতিক মতবাদ শিল্প বিপ্লবের প্রসারের সাথে সাথে বিভিন্ন দেশে কয়েকজন খ্যাতনামা সমাজতান্ত্রিক এর আবির্ভাব হয় । এই সমস্ত সমাজতান্ত্রিক কল্পনা করেছিলেন এমন এক সমাজ ব্যবস্থার যেখানে সকলেই নিজ নিজ যোগ্যতা অনুসারে কাজ করবে এবং সকলের শ্রম থেকে পাওয়া আয় সকলের মধ্যে ন্যায্যভাবে বন্টন করা হবে। মূলত এই মতবাদ প্রচলিত গণতন্ত্রবাদের মূলে কুঠারাঘাত করে যৌথ বা সামাজিক নিয়ন্ত্রণ এর ভিত্তিতে নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থার পথ নির্দেশ করে সেটাই সমাজতন্ত্রবাদ । সমাজতন্ত্রবাদীদের মধ্যে তত্ত্বগত মতভেদ আছে। মাক্স পূর্ববর্তী সমাজতন্ত্রবাদীদের আদি সমাজতন্ত্র বাদী বলা হয়। যাদের utopian বা অবাস্তব আদর্শবাদী বলে আখ্যায়িত করেছেন। এই আদি সমাজতন্ত্রবাদীদের মধ্যে একজন ছিলেন ইংল্যান্ডের রবার্ট ওয়েন। প্রথম জীবনে তিনি ছিলেন ম্যানচেস্টারের একটি কাপড়ের কলের ম্যানেজার। ম্যানেজার হিসেবে তিনি যথেষ্ট দক্ষতার পরিচয় দেন। কিন্তু factory প্রথার যাবতীয় কুফল দেখে তিনি শ্রমিকশ্রেণীর উন্নতি সাধনে তার জীবনের আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করেন। নিউ ল্যানার্কে একটি আদর্শ শিল্পনগর স্থাপন করে শ্রমিক সাধারণের সর্বপ্রক...

কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাসে শর্ট প্রশ্ন

১   ) হিট্রো - গ্রাফি   কথার   অর্থ   কি                                                                         উত্তরঃইতিহাস   চর্চা ২ )  ইতিহাসের   জনক কাকে বলে                                                                        উত্তরঃহেরোডোটাস ...

কলকাতা দাঙ্গা বা প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস (The Great Calcutta Killing বা Direct Action Day). লেখক: সুরঞ্জন দাস

কলকাতা দাঙ্গা, ১৯৪৬  : ১৯৪৬ সালের ১৬ আগস্ট কলকাতায় সংঘটিত একটি ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষ। এ সহিংসতা ভারতের হিন্দু ও মুসলমান দুটি বৃহৎ সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরাজমান ঘৃণা ও অবিশ্বাস থেকে সৃষ্টি হয়েছিল। মুসলিম লীগের পাকিস্তান দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে ১৯৪৬ সালের ১৬ আগস্টকে প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। উপমহাদেশের সর্বত্র মুসলমানগণ ওই দিন সকল কাজ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। অন্যদিকে, হিন্দু জনমত পাকিস্তান-বিরোধী শ্লোগানকে কেন্দ্র করে সুসংগঠিত হতে থাকে। বাংলার কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ তেমন একটা হিন্দু সাম্প্রদায়িক ছিলেন না। কিন্তু যেহেতু দলের অধিকাংশ সমর্থক ছিল হিন্দু, তাই কংগ্রেস সদস্যদের একটি অংশ পাকিস্তান আন্দোলনকে আসন্ন বিপদ হিসেবে উপলব্ধি করে হিন্দুদের একাত্মতা বিষয়ে প্রবল অনুভূতি প্রকাশ করার প্রয়াস পায়। তাদের প্রচারণা নিঃসন্দেহে প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবসের বিরুদ্ধে হিন্দুদের চেতনাকে প্রজ্বলিত করেছিল। বিশেষত লীগ মন্ত্রিসভা ক্ষমতায় থাকার কারণে ওই দিবস বাংলায় সফল হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। ১৬ আগষ্ট ভোরে উত্তেজনা শুরু হয় যখন লীগের স্বেচ্ছাসেবকেরা উত্তর কলকাত...