Skip to main content

Posts

On December 30, 2018, thousands of mobile flashlights lit up to honour Netaji Subhas Chandra Bose at the spot where he had hoisted the Indian Tricolour in Andaman 75 years ago. Prime Minister Narendra Modi led the enthusiastic crowd in full-throated chants of “Netaji Zindabad”. “When it comes to heroes of the freedom struggle,” he said, “we take the name of Netaji Subhas Chandra Bose with pride.” The Prime Minister must be commended for performing his duty of honouring the heroism and sacrifice of Netaji and the INA (Indian National Army). Yet donning the cap of the Azad Hind Fauj carries with it the responsibility of upholding the ideals and values held dear by India’s army of liberation. Netaji’s visit to Andaman was the culmination of an extraordinary year of superhuman effort. My father Sisir Kumar Bose’s 1943 diary opens with this entry: “23 Jan. Sat. ’43: Rangakakababu’s birthday. What an auspicious day for our people! A sacred day for all of us. Forty-six years — liv...

হরপ্পা সভ্যতার বিশাল এক সমাধিস্থলের খোঁজ

হরপ্পা সভ্যতার সময়কার বিশাল এক চারকোণা সমাধিস্থলের খোঁজ মিলেছে। গুজরাটের খাটিয়া নামের এক ছোট্টগ্রামে দুই মাস খননকাজ চালিয়ে কচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় এবং কেরালা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ ভূতাত্ত্বিক দল সমাধিস্থল থেকে এক ব্যক্তির কঙ্কাল আবিষ্কার করেছে। প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ভূতাত্ত্বিকরা জানিয়েছেন, কঙ্কালটির বয়স আনুমানিক ৫ হাজার বছর! ধারণা করা হচ্ছে, হরপ্পা সভ্যতার একেবারে আদি সময়েই ওই সমাধিক্ষেত্রটি তৈরি হয়েছিল। ওই বিশাল এলাকায় ২৫০টি সমাধি রয়েছে যার প্রত্যেকটিতেই মৃতদেহগুলো মাথা পূর্বদিকে এবং পা পশ্চিম দিকে শোয়ানো রয়েছে। সবচেয়ে বড় সমাধির দৈর্ঘ্য ২২ ফুটেরও বেশি এবং সবচেয়ে ছোট সমাধিটি চার ফুটের। এগুলোর সঙ্গে মাটির পাত্র, পাথর, ঝিনুক, শাঁখ দিয়ে তৈরি গয়না পাওয়া গেছে। Source: kholakagojbd.com

হরপ্পা সভ্যতার গবেষণা ও কিছু রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি - দিলীপ চক্রবর্তী

হরপ্পা গবেষণার চার ধরণের রাজনৈতিক ও আদর্শগত সমস্যা দেখা যায়। প্রথমটা শুরু হয়েছিল ১৯২৪ সালে হরপ্পা সভ্যতার আবিষ্কারের পরে পরেই, তার ভাষা নিয়ে। এস কে চ্যাটার্জীর মতে হরপ্পার ভাষা ছিল দ্রাবিড় জাতীয় আর সেই তত্ত্ব তামিলনাডু ও দক্ষিণ ভারতের দ্রাবিড় পন্থীদের মধ্যে এত বেশী গৃহীত হয়েছিল যে এর বিরোধিতা করাও এখনো পাপ বলে মনে করা হয়। এই ধারণার বজ্রমুষ্টি এখনও আলগা হয় নি, অন্তত তামিলনাড়ুতে। চেন্নাই-এর রোজা মুথাইয়া রিসার্চ লাইব্রেরীতে প্রকাশিত “Dravidian proof of the Indus script via the Rig Veda : A Case Study” গবেষণাপত্রটিতে আই মহাদেবন বলেছেন যে হরপ্পার লিপি প্রাচীন দ্রাবিড় লিপির একটি আদি রূপ বলাটাই সঠিক। হিন্দু পত্রিকার ১৫ নভেম্বর, ২০১৪ সালে বলা হয়েছে –   “সিন্ধু সভ্যতা ভেঙ্গে পড়ার পর... এই সভ্যতার কিছু জনসংখ্যা দক্ষিণ ভারতের দিকে চলে যায় এবং ‘সিন্ধু দ্রাবিড় দক্ষিণের দ্রাবিড় ভাষাগুলিকে প্রভাবিত করে’। এই মাইগ্রেশনের শুরুর দিকের কিছু  চিহ্ন ‘পুরোনো তামিল’ ভাষাতে পাওয়া যায়।” মহাদেবনের মতে গবেষণা প্রাপ্ত ফল বলছে যে “সিন্ধু সভ্যতার উত্তরপুরুষেরা ইন্দো-আর্য ভাষাকে গ্রহ...

পৃথিবীর প্রথম ব্যালেস্টিক মিসাইল

পৃথিবীর প্রথম ব্যালেস্টিক মিসাইল হচ্ছে জার্মানির তৈরি ভি-২ ব্যালেস্টিক মিসাইল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির বানানো এই মিসাইলকে সমগ্র মিসাইল জগতের জাতির পিতা বলা যায়। এটি বিশ্বের প্রথম গাইডেড ব্যালেস্টিক মিসাইল। ২য় বিশ্বযুদ্ধের সময় এটি ছিল মিত্রবাহিনীর জন্য সাক্ষাত যমদূত। তখনকার সময়ে কেউ এধরনের অস্ত্রের কথা কল্পনাও করেনি। তাই জার্মান মিসাইলগুলো যখন মিত্রবাহিনীর ক্যাম্পে আঘাত করত তখন মিত্রবাহিনী প্রথম প্রথম বুঝতে পারত না ঠিক কোন ধরনের অস্ত্র তাদের উপর প্রয়োগ করা হচ্ছে। তাই উর্দ্ধতন অফিসারের কাছে তারা রিপোর্ট করত যে এক ধরনের গ্যাস ভর্তি পাইপ আকাশপথে উড়ে এসে তাদের ঘাটিগুলোতে আঘাত করছে। তারা প্রতিবেদনে জানায় এধরনের আক্রমন এত বেশী ক্ষয়ক্ষতি স্বীকার করতে হচ্ছে যে এরকম হামলা অব্যাহত থাকলে অদূর ভবিষ্যতে লন্ডন শহর বসবাসের উপযোগী থাকবেনা এবং শীঘ্রই মিত্রবাহিনীর পরাজয় ঘটবে। ফলে মিত্রবাহিনীর জেনারেলদের কপালে চিন্তার ভাঁজ বৃদ্ধি পায়। আসলেই সেই যুগে ১০০০ কেজি ওয়ারহেড নিয়ে ৮৮ কি.মি. উচ্চতায় শব্দের চেয়ে কয়েকগুন বেশী দ্রুতগতিতে উড়ে গিয়ে ৩২০ কি.মি. দূরে নিখুঁত আঘাতকারী এই অস্ত্রকে থামানোর...

চেতনা সিনহা: ব্যাংক গড়ে যিনি বদলে দিয়েছেন ভারতের গ্রামীণ নারীদের ভাগ্য

কথায়   বলে, আর্থিক স্বাধীনতা সবথেকে বড় স্বাধীনতা। ভারতের নারীরা এখনও যে সেই স্বাধীনতা পুরোপুরি পেয়েছে তা বলা চলে না। কিন্তু সেই স্বাধীনতা অর্জন করতে প্রাণপাত পরিশ্রম করছেন, এমন নারীর সংখ্যা এদেশে নেহাত কম নেই। ছোটোখাটো যা হোক, ব্যবসা বা কোনো কাজ করে তারা তিল তিল করে নিজেদের আর্থিক স্বক্ষমতাকে বাড়িয়ে চলেছেন। কিন্তু সামান্য অর্জিত অর্থকে যে তারা সবসময়ে বাঁচিয়ে রাখতে পারেন তাও নয়। ঘরে মাদকাসক্ত স্বামী সেই টাকা কেড়ে নেন; আবার এত কম সেই অর্থ যে তাকে ব্যাংকে রাখাও বেশ কষ্টকর ব্যাপার। অন্যদিকে, কিছু ধার করে যে ব্যবসাটা বড় করে রোজগারটাকেও বাড়াবে, সেটাও কার্যত অসম্ভব; কারণ, ওই সামান্য পুঁজির ব্যবসার জন্য পয়সা দিতে রাজি নয় বেশিরভাগ অর্থ সংস্থাই। তাহলে কোথায় যাবেন এই নারীরা যারা স্বনির্ভরতার স্বপ্ন দেখেন কিন্তু স্বপ্নে পৌঁছানোর পথ খুঁজে পান না? আছে, তাদেরও ভরসা করার মানুষ রয়েছে আমাদের মধ্যে। ইউএন যারা তাদের অদম্য মনের জোরে ও ইচ্ছায় অসংখ্য মানুষের জীবনেও এনেছেন এক ইতিবাচক পরিবর্তন। আজ আমরা বলব এমন একজন নারীর কথা, যিনি দেশের গ্রামীণ নারীদের কঠোর পরিশ্রম করে গড়ে তোল...

বিশ্ব বা আন্তর্জাতিক নারী দিবস

বিশ্ব বা আন্তর্জাতিক নারী দিবস (আদি নাম আন্তর্জাতিক শ্রমজীবী নারী দিবস) প্রতি বছর ৮ মার্চ তারিখে পালিত হয়। সারা বিশ্বব্যাপী নারীরা একটি প্রধান উপলক্ষ্য হিসেবে এই দিবস উদযাপন করে থাকেন। বিশ্বের এক এক প্রান্তে নারীদিবস উদযাপনের প্রধান লক্ষ্য এক এক রকম। কোথাও নারীর প্রতি সাধারণ সম্মান ও শ্রদ্ধা উদযাপনের মুখ্য বিষয় হয়, আবার কোথাও মহিলাদের আর্থিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠাটি বেশি গুরুত্ব পায়।  এ দিবসটি উদযাপনের পেছনে রয়েছে নারী শ্রমিকের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের ইতিহাস। ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে মজুরি বৈষম্য, কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট করা, কাজের অমানবিক পরিবেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের রাস্তায় নেমেছিলেন সুতা কারখানার নারী শ্রমিকেরা। সেই মিছিলে চলে সরকারি লেঠেল বাহিনীর দমনপীড়ন। ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দে নিউইয়র্কের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নারী সংগঠনের পক্ষ থেকে আয়োজিত নারী সমাবেশে জার্মান সমাজতান্ত্রিক নেত্রী ক্লারা জেটকিনের নেতৃত্বে সর্ব প্রথম আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন হল। ক্লারা ছিলেন জার্মান রাজনীতিবিদ, জার্মান কমিউনিস্ট পার্টির স্থপতিদের এক জন। ১৯১০  খ্রি...

উপেক্ষিত বৈজ্ঞানিক রাধানাথ শিকদার :: লেখক - দীপক সেনগুপ্ত

রাধানাথ শিকদারের বাল্যকাল ও শিক্ষার্জন আজ বিশ্বায়নের গতিময়তা ও কর্মচাঞ্চল্যে জনমানস বহুলাংশে বিক্ষিপ্ত। ফিরে দেখার সময় কম। শিল্প, সংস্কৃতি, সাহিত্য, বিজ্ঞান ইত্যাদি বিষয়ে আমাদের প্রাচীন উৎকর্ষ ও অবদানের কথা আমরা সেভাবে মনে রাখিনি, স্বীকৃতি জানাই নি। সে অবকাশও আমাদের নেই। বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বিশেষ করে এই ঔদাসীন্য ও বিস্মৃতি বড় বেশি চোখে পড়ে। এরকম একটি বিস্মৃতপ্রায় নাম রাধানাথ শিকদার, অথচ তিনিই ছিলেন আধুনিক ভারতের প্রথম গণিতজ্ঞ ও বৈজ্ঞানিক। তিতুরাম শিকদারের বড় ছেলে রাধানাথ জন্মেছিলেন ১৮১৩ খ্রিষ্টাব্দের অক্টোবর মাসে। সঠিক তারিখ জানা যায় না, মায়ের নামও অজানাই থেকে গেছে। জোড়াসাঁকোর শিকদার পাড়ায় ব্রাহ্মণ বংশে রাধানাথের জন্ম। রাধানাথের ছিল এক ভাই ও তিন বোন। ভাই শ্রীনাথ ছিল দু’বছরের ছোট। শিকদারেরা মুসলমান আমলে প্রধান শান্তিরক্ষক হিসাবে কাজ করত। এই কাজ বংশপরম্পরায় করার জন্য তাদের মধ্যে লেখাপড়ার চর্চা অনেক কমে এসেছিল। প্রথমে রাধানাথ গ্রামেরই পাঠশালায় এবং পরে বাঙালী খৃষ্টান কমল বসুর স্কুলে ভর্তি হন। রাধানাথ তার ডায়েরিতে নিজের পড়াশোনার কথা ও তখনকার শিক্ষাদানের পদ্ধতি সম্...