Skip to main content

Posts

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস

কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন :-  প্রশ্ন: আধুনিক বাংলা ভাষার পরিধি কত সাল থেকে শুরু হয়েছে ? উঃ ১৮০১ সাল থেকে। (প্রস্তুতিপর্বঃ ১৮০০-১৮৬০, বিকাশপর্বঃ ১৮৬০-১৯০০, রবীন্দ্রপর্বঃ ১৯০০-১৯৩০, রবীন্দ্রোত্তরঃ ১৯৩০-১৯৪৭ ও বাংলাদেশঃ ১৯৪৭-) প্রশ্ন: বাংলা ভাষার উৎপত্তি কোন শতাব্দীতে? উঃ সপ্তম শতাব্দী। প্রশ্ন: পানিনি রচিত গ্রন্থের নাম কি? উঃ ব্যাকরণ অষ্টাধয়ী। প্রশ্ন: পানিণি কোন ভাষার ব্যাকরণকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করেন? উঃ সংস্কৃত ভাষা। প্রশ্ন: বাংলা ভাষার মূল উৎস কোনটি?  উঃ বৈদিক। প্রশ্ন: বাংলা ভাষার আদি সাহিত্যিক নিদর্শন কি?  উঃ শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য। প্রশ্ন: বাংলা ভাষা কোন আদি বা মূল ভাষা গোষ্ঠীর অর্ন্তগত?  উঃ ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা গোষ্ঠী। প্রশ্ন: বাংলা ভাষার উদ্ভব ঘটে কোন দশকে?  উঃ খ্রিষ্টিয় দশম শতকের কাছাকাছি সময়ে। প্রশ্ন: ভারতীয় আর্য ভাষার প্রাচীন রূপ কোথায় পাওয়া যায়?  উঃ প্রাচীন গ্রন্থ ঋগে¦দের মন্ত্রগুলোতে। প্রশ্ন: বাংলা গদ্যের ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয় কখন থেকে?  উঃ আধুনিক যুগে। প্রশ্ন: বাংলা গদ্যের ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয় কখন থেকে?  উঃ আধুনিক যুগে। প্রশ্ন: ড. মু...

ইতিহাসের একটি বিখ্যাত প্রত্নতত্ত্ব

বর্তমান যুগ হচ্ছে বিজ্ঞানের যুগ, প্রযুক্তির যুগ। এই যুগে এসে মানুষ হতে চায় আরো গতিশীল, আরো সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চায়। কিন্তু পুরনোকে ভুলতে না পারা, পুরনোকে নতুনভাবে জানার ইচ্ছা মানুষের আদিম একটি প্রবৃত্তি।তাই তো প্রত্নতাত্ত্বিকেরা হন্যে হয়ে খোঁজ করেন নতুন কোন কিছুর,নতুন কোন অজানাকে জানা। আজ আপনাদের জন্য আলোচনা করা হবে বিখ্যাত এইসব আবিষ্কারের প্রথম পর্বঃ রাজা তুতের কবরঃ ঈজিপ্টের প্রতাপশালী এই রাজার কবর বা ব্যুরিয়াল চেম্বার আবিষ্কার করা হয় ১৯২২ সালে।ব্রিটিশ ঈজিপ্টোলজিস্ট হাওয়ার্ড কার্টারের পরিচালনায় একটি দল ফারাও তুতের এই কবরটি আবিষ্কার করার দিকে ধাবিত হয়। তুতেনখামেন আসলে কে ছিলেনঃ যিশুর জন্মের ১৩৩২ সাল আগে তুতেনখামেন ক্ষমতায় আসেন। তখন তার বয়স ছিল মাত্র ৯ বছর।আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, ক্ষমতায় আসার ঠিক ৯ বছরের মাথায় তুতেনখামেন মৃত্যুবরণ করেন।তার অকস্মাৎ মৃত্যু আমাদের এই ধারণা দেয় যে তার কবর কেন এত ছোট আকৃতির কিংবা এত তাড়াহুড়োর ছাপ নিয়ে তৈরি করা হয়।প্রত্নতাত্ত্বিকেরা গবেষণা করে বলেছেন যে, তুতকে যখন কবর দেয়া হয়, তখন তার দেয়ালের রং ছিল কাঁচা।তা ঠিকমত শুকোয় নি।কিসের এত তাড়া ছিল ঈ...
On December 30, 2018, thousands of mobile flashlights lit up to honour Netaji Subhas Chandra Bose at the spot where he had hoisted the Indian Tricolour in Andaman 75 years ago. Prime Minister Narendra Modi led the enthusiastic crowd in full-throated chants of “Netaji Zindabad”. “When it comes to heroes of the freedom struggle,” he said, “we take the name of Netaji Subhas Chandra Bose with pride.” The Prime Minister must be commended for performing his duty of honouring the heroism and sacrifice of Netaji and the INA (Indian National Army). Yet donning the cap of the Azad Hind Fauj carries with it the responsibility of upholding the ideals and values held dear by India’s army of liberation. Netaji’s visit to Andaman was the culmination of an extraordinary year of superhuman effort. My father Sisir Kumar Bose’s 1943 diary opens with this entry: “23 Jan. Sat. ’43: Rangakakababu’s birthday. What an auspicious day for our people! A sacred day for all of us. Forty-six years — liv...

হরপ্পা সভ্যতার বিশাল এক সমাধিস্থলের খোঁজ

হরপ্পা সভ্যতার সময়কার বিশাল এক চারকোণা সমাধিস্থলের খোঁজ মিলেছে। গুজরাটের খাটিয়া নামের এক ছোট্টগ্রামে দুই মাস খননকাজ চালিয়ে কচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় এবং কেরালা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ ভূতাত্ত্বিক দল সমাধিস্থল থেকে এক ব্যক্তির কঙ্কাল আবিষ্কার করেছে। প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ভূতাত্ত্বিকরা জানিয়েছেন, কঙ্কালটির বয়স আনুমানিক ৫ হাজার বছর! ধারণা করা হচ্ছে, হরপ্পা সভ্যতার একেবারে আদি সময়েই ওই সমাধিক্ষেত্রটি তৈরি হয়েছিল। ওই বিশাল এলাকায় ২৫০টি সমাধি রয়েছে যার প্রত্যেকটিতেই মৃতদেহগুলো মাথা পূর্বদিকে এবং পা পশ্চিম দিকে শোয়ানো রয়েছে। সবচেয়ে বড় সমাধির দৈর্ঘ্য ২২ ফুটেরও বেশি এবং সবচেয়ে ছোট সমাধিটি চার ফুটের। এগুলোর সঙ্গে মাটির পাত্র, পাথর, ঝিনুক, শাঁখ দিয়ে তৈরি গয়না পাওয়া গেছে। Source: kholakagojbd.com

হরপ্পা সভ্যতার গবেষণা ও কিছু রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি - দিলীপ চক্রবর্তী

হরপ্পা গবেষণার চার ধরণের রাজনৈতিক ও আদর্শগত সমস্যা দেখা যায়। প্রথমটা শুরু হয়েছিল ১৯২৪ সালে হরপ্পা সভ্যতার আবিষ্কারের পরে পরেই, তার ভাষা নিয়ে। এস কে চ্যাটার্জীর মতে হরপ্পার ভাষা ছিল দ্রাবিড় জাতীয় আর সেই তত্ত্ব তামিলনাডু ও দক্ষিণ ভারতের দ্রাবিড় পন্থীদের মধ্যে এত বেশী গৃহীত হয়েছিল যে এর বিরোধিতা করাও এখনো পাপ বলে মনে করা হয়। এই ধারণার বজ্রমুষ্টি এখনও আলগা হয় নি, অন্তত তামিলনাড়ুতে। চেন্নাই-এর রোজা মুথাইয়া রিসার্চ লাইব্রেরীতে প্রকাশিত “Dravidian proof of the Indus script via the Rig Veda : A Case Study” গবেষণাপত্রটিতে আই মহাদেবন বলেছেন যে হরপ্পার লিপি প্রাচীন দ্রাবিড় লিপির একটি আদি রূপ বলাটাই সঠিক। হিন্দু পত্রিকার ১৫ নভেম্বর, ২০১৪ সালে বলা হয়েছে –   “সিন্ধু সভ্যতা ভেঙ্গে পড়ার পর... এই সভ্যতার কিছু জনসংখ্যা দক্ষিণ ভারতের দিকে চলে যায় এবং ‘সিন্ধু দ্রাবিড় দক্ষিণের দ্রাবিড় ভাষাগুলিকে প্রভাবিত করে’। এই মাইগ্রেশনের শুরুর দিকের কিছু  চিহ্ন ‘পুরোনো তামিল’ ভাষাতে পাওয়া যায়।” মহাদেবনের মতে গবেষণা প্রাপ্ত ফল বলছে যে “সিন্ধু সভ্যতার উত্তরপুরুষেরা ইন্দো-আর্য ভাষাকে গ্রহ...

পৃথিবীর প্রথম ব্যালেস্টিক মিসাইল

পৃথিবীর প্রথম ব্যালেস্টিক মিসাইল হচ্ছে জার্মানির তৈরি ভি-২ ব্যালেস্টিক মিসাইল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির বানানো এই মিসাইলকে সমগ্র মিসাইল জগতের জাতির পিতা বলা যায়। এটি বিশ্বের প্রথম গাইডেড ব্যালেস্টিক মিসাইল। ২য় বিশ্বযুদ্ধের সময় এটি ছিল মিত্রবাহিনীর জন্য সাক্ষাত যমদূত। তখনকার সময়ে কেউ এধরনের অস্ত্রের কথা কল্পনাও করেনি। তাই জার্মান মিসাইলগুলো যখন মিত্রবাহিনীর ক্যাম্পে আঘাত করত তখন মিত্রবাহিনী প্রথম প্রথম বুঝতে পারত না ঠিক কোন ধরনের অস্ত্র তাদের উপর প্রয়োগ করা হচ্ছে। তাই উর্দ্ধতন অফিসারের কাছে তারা রিপোর্ট করত যে এক ধরনের গ্যাস ভর্তি পাইপ আকাশপথে উড়ে এসে তাদের ঘাটিগুলোতে আঘাত করছে। তারা প্রতিবেদনে জানায় এধরনের আক্রমন এত বেশী ক্ষয়ক্ষতি স্বীকার করতে হচ্ছে যে এরকম হামলা অব্যাহত থাকলে অদূর ভবিষ্যতে লন্ডন শহর বসবাসের উপযোগী থাকবেনা এবং শীঘ্রই মিত্রবাহিনীর পরাজয় ঘটবে। ফলে মিত্রবাহিনীর জেনারেলদের কপালে চিন্তার ভাঁজ বৃদ্ধি পায়। আসলেই সেই যুগে ১০০০ কেজি ওয়ারহেড নিয়ে ৮৮ কি.মি. উচ্চতায় শব্দের চেয়ে কয়েকগুন বেশী দ্রুতগতিতে উড়ে গিয়ে ৩২০ কি.মি. দূরে নিখুঁত আঘাতকারী এই অস্ত্রকে থামানোর...