Skip to main content

Posts

লেখা পাঠান

"ইতিহাস: একটি সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা" নামক ব্লগ পত্রিকার গতি বৃদ্ধির জন্য লেখা নেওয়া শুরু হয়ে গেছে। প্রতি ৬ মাস অন্তর অন্তর নতুন লেখা যোগ করা হবে। আগামী ১ জানুয়ারি ২০১৯ থেকে নিয়মিতভাবে এই ব্লগ পত্রিকার যাত্রা শুরু হবে। তাই দ্রুত লেখা পাঠান। আমাদের পত্রিকার ওয়েবসাইট:  itihasoitihasik.blogspot.in লেখা পাঠানোর এবং লেখা প্রকাশ-সংক্রান্ত কয়েকটি নিয়ম: ১) UNICODE  ফন্টে লিখে সেটা  word  ( .docx  )  ফাইল হিসেবে পাঠাতে হবে বা লেখাটি ইমেলে পেস্ট বা কম্পোজ করেও পাঠাতে পারেন। দয়া করে পিডিএফ বা ইমেজ ফাইলের মাধ্যমে লেখা পাঠাবেন না। লেখা পাঠান এই ঠিকানায় :-  itihasoitihasik@gmail.com ২)  লেখা, ছবি অপ্রকাশিত ও মৌলিক হওয়া চাই। ইন্টারনেটে প্রকাশিত লেখা পাঠাবেন না। ৩) কপিরাইট লঙ্ঘন করে কোনও লেখা পাঠাবেন না। কোনও লেখার কপিরাইট সংক্রান্ত দায়িত্ব "ইতিহাস: একটি সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা" নেবে না। ৪) সবাই লেখা পাঠাতে পারেন, তবে মনোনয়নের ব্যাপারে সম্পাদকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। ৫) লেখা পাঠানোর ৩মাসের মধ্যে উত্তর না পেলে লেখাটি মনোনীত হয়নি ধরে নিতে পারেন। ৬) ...

প্রাচীনভারতে অ্যারোমাথেরাপি

  পৃথিবীর প্রাচীনতম সভ্যতাগুলির অন্যতম হল ভারতীয় সভ্যতা এবং আর্য়ুবেদ শাস্ত্র হল সম্ভবত চিকিৎসাজগতের প্রাচীনতম নথিভূক্ত চিকিৎসাশাস্ত্র। প্রায় সাড়ে চার হাজার খ্রীষ্টপূর্বাব্দে রচিত ঋগবেদে উল্লেখ আছে যে, প্রাচীন ভারতে অ্যারোমাথেরাপি এবং আর্য়ুবেদশাস্ত্র অবিচ্ছিন্ন ছিল। আবার চরক সংহিতা ও সুশ্রুত সংহিতা অনুযায়ী তৎকালীন আর্য়ুবেদ চিকিৎসার সিংহভাগই ছিল অ্যারোম্যাটিক প্ল্যান্টের বিভিন্ন ভাগ থেকে প্রাপ্ত ঔষধি। যেগুলি রোগ নিরাময়ের জন্য ব্যবহৃত হত এবং যা আজও আর্য়ুবেদ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। রামায়ণে অ্যারোমাথেরাপি প্রাচীন ভারতীয় শাস্ত্রের বিভিন্ন জায়গায় অ্যারোমাথেরাপি   প্রয়োগের কথা জানা যায়। এ বিষয়ে উল্লেখ করতে হয় রামায়ণের কথা। রামায়ণেই প্রথম অ্যারোমাথেরাপির ব্যবহার সম্বন্ধে জানা যায়। রামায়ণের ‘যুদ্ধকান্ডে’, লক্ষণ আহত হন রাবণপুত্র ইন্দ্রজিতের ‘শক্তিশেলের’ আঘাতে। ইন্দ্রজিৎ ছিলেন বহু দিব্যাস্ত্র পরিচালনায় পারদর্শী একজন প্রবল পরাক্রমী যোদ্ধা। তিনি যুদ্ধে রাবণের জয় সুনিশ্চিত করতে লক্ষণকে এই অস্ত্র দিয়ে ঘায়েল করেন। লক্ষণ সেই আঘাতে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড...

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় জাপানে অ্যাটম বোমার ধ্বংসলীলা

১৯৪৫ সালের ৬ ই আগস্ট সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে জাপানের হিরোশিমা নগরীতে পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম পারমাণবিক বোমাটির বিস্ফোরণ ঘটায় আমেরিকা। এর ঠিক তিন দিন পরে, ৯ই আগস্ট বেলা ১১টা ২ মিনিটে, আমেরিকা জাপানের নাগাসাকি শহরে আরো একটি পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করে। প্রথম বোমাটির নাম দেওয়া হয় ‘লিটল বয়’ বা ‘বামন বোমা’ এবং দ্বিতীয়টির নামকরণ করা হয় ‘ফ্যাটম্যান’ বা ‘স্থুলকায় বোমা। এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের মধ্যে অনেকেই এখন আর বেঁচে নেই। খুব অল্প সংখ্যকই বেঁচে আছে। তেমনি একজন বলেছেন সেই দুঃসহ স্মৃতির কথা। ঘটনার বর্ণনায় তিনি বলেন, ‘প্রথমে মনে হল, আকাশ থেকে যেন একটা কালো প্যারাস্যুট নেমে আসছে। পরমুহূর্তেই আকাশ যেন জ্বলে উঠল। আলোর সেই ঝিলিক যে কী রকম তা বলার সাধ্য কারও নেই। সেই সঙ্গে প্রচ- শব্দ। বিস্ফোরণের পরমুহূর্তেই মাটিতে লুটিয়ে পড়তে লাগলো শত শত ভবন ও হাজার হাজার মানুষ। সেই সঙ্গে আশপাশের জিনিসপত্র এদিক ওদিক পড়ে জমা হতে থাকল। চারিদিকে আলো ও অন্ধকার, কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। হামাগুড়ি দিয়ে বেরোতে হল, কালো ঘোর অন্ধকারে। বাতাসে বীভৎস গন্ধ। মানুষের মুখের চামড়া যেন ঝুলে পড়েছে। কনুই থেকে আঙুল অবধি হাতের চামড়া ঝুল...

সুভাষের গৃহত্যাগ, আনন্দবাজার পত্রিকা

কি বলেছিল আনন্দবাজার সুভাষের গৃহত্যাগ নিয়ে ? চলুন দেখে নেওয়া যাক।  সুত্র: পশ্চিমবঙ্গ পত্রিকা ***এই ব্লগ পত্রিকায় লেখা পাঠানোর জন্য ও পুরষ্কার সংক্রান্ত নির্দেশনামার জন্য ক্লিক করুন: http://itihasoitihasik.blogspot.in/2018/01/blog-post_46.html

রবীন্দ্রনাথ ও আইনস্টাইন -এর সাক্ষাৎ

রবীন্দ্রনাথ ও আইনস্টাইন -এর সাক্ষাৎ হয় মোট চারবার। রবীন্দ্রনাথ প্রথম জার্মানীতে যান ১৯২১ খ্রিষ্টাব্দে। সেবার আইনস্টাইনের সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হয় নি। এরপর রবীন্দ্রনাথ দ্বিতীয় সফর করেন করেন ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দে। এবারের সফরের সময় ১৪ই সেপ্টেম্বর আইনস্টাইনের সাথে তাঁর প্রথম সাক্ষাৎ ঘটে। এদিন সকালে রবীন্দ্রনাথের সম্মানে জার্মানীর সাংস্কৃতিক মন্ত্রী বেকার একটি চা-চক্রের আয়োজন করেন। আমন্ত্রিত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন আলবার্ট আইনস্টাইন এবং জার্মানির অনেক বৈজ্ঞানিক ও দার্শনিক। একই দিন বিকেলে আইনস্টাইন রবীন্দ্রনাথকে চা-চক্রে আপ্যায়িত করেন। রবীন্দ্রানাথ বিকেলে কাপুথে (Caputh) অবস্থিত আইনস্টাইনের বাসভবন 'আইনস্টাইন ভিলায়' যান। সেখানে রবীন্দ্রনাথের সাথে আইনস্টাইন যে কথাবার্তা হয়, তার অংশবিশেষ ১৯৩০ খ্রিষ্টাব্দের ১০ই আগস্ট নিউ ইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় প্রকাশিত হয় Einstein and Tagore Plumb the Truth- নামে। এর প্রতিবেদক ছিলেন জার্মানীর বিখ্যাত সাংবাদিক দিমিত্রি মারিয়ানফ (আইনস্টাইনের সৎ-কন্যা মার্গোর স্বামী দিমিত্রি মারিয়ানফ্)। ১৯৩০ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই মাসে রবীন্দ্রনাথ আবার জার্মানী সফর করেন ...

সাধক বামাক্ষ্যাপা লেখক: পৃথ্বীশ ঘোষ

তারাপীঠের সর্বাধিক প্রসিদ্ধ সাধক হলেন বামাক্ষ্যাপা (১৮৪৩-১৯১১) তিনি মন্দিরে পূজা করতেন এবং শ্মশানে সাধনা করতেন। তিনি ছিলেন উনিশ শতকের অপর প্রসিদ্ধ কালীভক্ত রামকৃষ্ণ পরমহংসের সমসাময়িক। অল্প বয়সেই তিনি গৃহত্যাগ করেন এবং কৈলাসপতি বাবার সান্নিধ্যে তন্ত্রসাধনা শুরু করেন। পরে তিনি সমগ্র তারাপীঠের প্রধান ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছিলেন। ভক্তেরা তাঁর কাছে আশীর্বাদ বা আরোগ্য প্রার্থনা করতে আসত। কেউ কেউ আবার শুধুই তাঁকে দর্শন করতে আসত। তিনি মন্দিরের নিয়ম মানতেন না।  একবার নৈবেদ্য নিবেদনের পূর্বে খেয়ে ফেলে তিনি পুরোহিতদের রোষ দৃষ্টিতে পড়েছিলেন। শোনা যায়, এরপর তারাদেবী নাটোরের মহারানিকে স্বপ্নে দেখা দিয়ে দেবীর পুত্র বামাক্ষ্যাপাকে প্রথমে ভোজন করাতে আদেশ দেন। এরপর থেকে মন্দিরে দেবীকে নৈবেদ্য নিবেদনের পূর্বে বামাক্ষ্যাপাকে ভোজন করানো হত এবং কেউ তাঁকে বাধা দিতেন না। কথিত আছে, তারাদেবী শ্মশানক্ষেত্রে ভীষণা বেশে বামাক্ষ্যাপাকে দর্শন দিয়ে তাঁকে স্তন্যপান করিয়েছিলেন। শৈশবে তিনি এতাই সরল ছিলেন যে, প্রতিবেশীরা তাঁকে বলতেন ‘হাউড়া’ অর্থাৎ নির্বোধ। লেখাপড়ায় তাঁর কোনদিনই মন ছিল না—অভিনয়...

মমি ও মিশর

মমি আমরা প্রায় সকলেই দেখেছি বই এর পাতায় কিংবা হলিউড এর ছবিতে। চলুন আজ আমি আপনাদেরকে এই মমি সৃষ্টি এর ইতিহাস বলি। প্রাচীন মিশরে এর উত্থান ঘটেছিল। প্রথম দিকে মিশরীয়রা বলিতে গর্ত করে মৃতদেহ গুলিকে চাপা দিত। রোদে, তাপে, বালির শুষ্কতার জন্য তা শুকিয়ে যেত। এ পদ্ধতি কিছু দিন পর গেল পালটে, শুরু হল মৃতদেহ সত্কারের এক নতুন পদ্ধতি, যা প্রথমে উচ্চশ্রেণীর জন্য এবং পরে সর্বসাধারনের জন্য চালু হয় আর এই সময় থেকেই ধাপে ধাপে গডে ওঠে মমি। মিশরীয়রা মৃত্যু পরবর্তী জীবনকে অধিক প্রধান্য দিতেন, তারা "কা" এবং "বা" এই দুই সওাতে বিশ্বাস করতেন যারা মৃতের শরীরে অবস্থান করে, তাই মৃত শরীরের ষৌষ্ঠব বজায় রাখা একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিল যাতে ঐ সওারা মৃত্যুর পরও নিজের শরীরকে চিনতে পারে। মমি তৈরির পেছনে মূলত এই চিন্তাই কাজ করত। মনে রাখবেন আলোচনা করলে আরও করা যেত কিন্তু আমি চাইছি সংক্ষেপে যথা সম্ভব গুরুতপূর্ণ তথ্য আপনাদের কাছে পরিবেশন করতে যাতে সহজেই তা মনে রাখা যায়। চলুন এবার কিভাবে মমি হত তা আলোচনা করি। মৃতদেহ গুলি যাতে পোচে না যায় তার জন্য উপায় অবলম্বন করা হত। যেমন, তার মস্তিষ...