“মেরী ঝাঁসি দুংগী নহী।”- রানি লক্ষ্মীবাঈ। চলুন ফিরে দেখি তাকে -} সময়টা ১৮৫৭-৫৮সাল। মধ্যভারতে ঝাঁসি ছিল একটি সমৃদ্ধ ছোট্ট স্বাধীন মারাঠা রাজ্য। এর চারদিকে ঘিরে ছিল ব্রিটিশানুগত রাজপুত রাজ্যগুলি।প্রবল পরাক্রান্ত বলে পরিচিত মারাঠা রাজ্য গোয়ালিয়র,ইন্দোর নিরাপদে থাকার জন্য ব্রিটিশের মিত্র হয়েছিল। ভুপালের বেগমও সে’সময়ে ইংরেজ আনুগত্যের জন্য বিশেষ প্রসিদ্ধ ছিলেন। শুধু ঝাঁসির বিধবা রানি লক্ষ্মীবাঈ ছিলেন ব্যতিক্রম।নিজের দত্তক পুত্রের উত্তরাধিকার তথা ঝাঁসির স্বাধীনতা রক্ষার জন্য তিনি রুখে দাঁড়িয়েছিলেন।তখন নানাসাহেব,তাঁতিয়া টোপি, বাণপুরের রাজা প্রমুখ কয়েকজন ছোটো ছোটো রাজ্যের শাসক আর ঝাঁসির অগণিত বুন্দেলখণ্ডি প্রজা,এরা রানির স্বাধীনতার লড়াইকে স্বাগত জানিয়েছিল।সেইসঙ্গে রানির আহ্বানে সারা দিয়েছিল আফগান ও পাঠান সেনারাও। জাতিধর্ম নির্বিশেষে রানির প্রতি প্রজাদের অকুণ্ঠ সমর্থন দেখে ভয় পেল ইংরেজ শাসকেরা। রানির আদর্শে মধ্যভারতে গড়ে ওঠা একটি ব্যাপক ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সম্ভাবনাকে সমূলে বিনাশ করতে তৎপর হল তারা। সঙ্গে পেয়েছিল কিছু আরাম আর ব্যসনপ্রিয় কিছু বুন্দেলখণ্ডি আর কিছু দেশিয় রাজাকে। রানির সাহস...
Exploring history and culture.