Skip to main content

Posts

ভারতের ইতিহাসের জনক-জননী ব্যক্তিবর্গ

আধুনিক ভারতের জনক : রাজা রামমোহন রায় ভারতের জাতির জনক: মহাত্মা গান্ধী ভারতের জাতীয়তাবাদের জনক : রাজা রামমোহন রায় ভারতের সংগ্রামশীল জাতীয়তাবাদের জনক : বাসুদেব বলবন্ত ফাড়কে ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের জনক : অ্যালান অক্টাভিয়াম হিউম্যান আধুনিক ভারতীয় জাতীয়তাবাদের জনক : স্বামী বিবেকানন্দ ( কিছু ঐতিহাসিক বলেছেন ) পশ্চিম ভারতের ধর্ম সংস্কার আন্দোলনের জনক : গোপাল হরি দেশমুখ আধুনিক রেলপথের জনক : লর্ড ডালহৌসি আধুনিক পাঞ্জাবের জনক : লর্ড ডালহৌসি  ভারতীয় সিভিল সার্ভিসের জনক: লর্ড কর্নওয়ালিস ভারতের বিপ্লববাদের জননী : মাদাম ভিকাজী কামা  ভারতের রায়তওয়ারি ব্যবস্থার জনক : স্যার টমাস মনরো ভারতের মহলওয়ারি ব্যবস্থার জনক : হোল্ট ম্যাকেঞ্জি মহারাষ্ট্রে সংগ্রামশীল জাতীয়তাবাদের জনক : বাসুদেব বলবন্ত ফাড়কে ভারতের বিক্ষোভের জনক : বালগঙ্গাধর তিলক ভারতের আধুনিক বিচারব্যবস্থার জনক : ওয়ারেন হেস্টিংস  ভারতের দ্বিজাতি তত্ত্বের প্রবক্তা : স্যার সৈয়দ আহমেদ খান ভারতবর্ষে ওয়াহাবি আন্দোলনের জনক  : উত্তরপ্রদেশের রায়বেরেলির সৈয়দ আহমেদ পূর্ব এশিয়ার স্বাধীনতা সংগ্রামের জনক : রাসবিহারী বসু ভা...

বিজ্ঞানচর্চা বিষয়ক কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান

  ১) The Indian Association for the Cultivation of Science / দি ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দা কাল্টিভেশন অফ সায়েন্স  - মহেন্দ্রলাল সরকার ১৮৭৬ সালে ডঃ মহেন্দ্রলাল সরকার ফাদার লাফোঁর সহায়তায় এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছিলেন । জনগণের মধ্যে বিজ্ঞান চেতনা অভিজ্ঞানমনস্ক স্বভাবের উদ্ভব ঘটানোর জন্য এই প্রতিষ্ঠান বিভিন্নভাবে জনসমাজে প্রচার চালায় নারী বিজ্ঞান চর্চাও তাদের দ্বারা উৎসাহিত হয় ।  ২) University college of science and Technology / রাসবিহারী শিক্ষা প্রাঙ্গণ / কলকাতা বিজ্ঞান কলেজ  - স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়  ১৯১৪ সালের ২৭ মার্চ স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় রাসবিহারী ঘোষ এবং তারানাথ পালিতের সাহায্য নিয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলেন । স্নাতকোত্তরে বিজ্ঞান চর্চার বিকাশ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার উন্নতি এদের গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য ছিল ।  ৩) বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদ -সত্যেন্দ্রনাথ বসু বিজ্ঞান চর্চার বিকাশ ঘটানোর জন্য সত্যেন্দ্রনাথ বসু ১৯৪৮ সালে বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদের প্রতিষ্ঠা করেন।  ৪) ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিক্যাল ইনস্টিটিউট /Indian statistical ...

আমাদের পদবীর পেছনের ইতিহাস

আমাদের প্রত্যেকের নামের শেষে আমরা একটি পদবী যুক্ত করি | যেমন কারও নাম ধরুন অমিত সরকার, এখানে অমিত টা তার নাম এবং শেষের অংশ টুকু তার পদবী | আজ এই পদবীর উদ্ভব হল কীভাবে সেই সম্পর্কে আলোচনা করব | বাঙালীদের বংশ পদবীর ইতিহাস খুব বেশী প্রাচীন নয় | মধ্য যুগে সামন্ততান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার ফলে পরবর্তীতে ব্রিটিশ আমলে চিরস্থায়ী ব্যবস্থার সমান্তরালে বাঙালির পদবীর বিকাশ ঘটেছে বলে মনে করা হয় | সামন্ততান্ত্র িক অর্থনীতির অনেক ক্ষেত্রেই জড়িয়ে আছে জমি ও হিসাব সংক্রান্ত পদবী | আবার অষ্টম শতকে বাংলাদেশ চরম নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলার পর গ্রাম সভা ও বিশিষ্ট নাগরিকরা সাধারণ একজনকে সম্রাট পদে বসিয়ে দিয়েছিলেন, যার নাম ছিল গোপাল | কিন্তু গোপালের নামের শেষ অংশ ( গো - পাল ) ধরে রাখবার প্রচেষ্টায় তাঁর উত্তরাধিকাররা ক্রমান্নয়ে সকলেই নামের শেষে গোপালের 'পাল ' অংশকে পদবী হিসাবে ব্যবহার করতে থাকেন | বল্লাল সেনের আমলেও ছত্রিশটি জাত সৃষ্টি করে আলাদা মর্যাদা তৈরি করা হয়েছিল | সমাজে এভাবে ছত্রিশটি প্রধান পদবীরও সৃষ্টি হয় পেশাগত গুনে | যাইহোক এখন বিভিন্ন পদবীর উদ্ভব কীভাবে হয় সংক্ষিপ্তভাবে তা বলছি -----...

শহীদ চন্দ্রশেখর আজাদ

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে যে সব মহান বিপ্লবীদের নাম যুক্ত তাদের মধ্যে একজন হলেন চন্দ্রশেখর আজাদ. | কাকোরি অভিযান, এলাহাবাদের সশস্ত্র সংঘর্ষ ইত্যাদি নানা বৈপ্লবিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যার নাম সক্রিয় ভাবে যুক্ত ছিল তিনি হলেন চন্দ্রশেখর আজাদ |  মহান বিপ্লবী চন্দ্রশেখর আজাদের জন্ম হয়েছিল মধ্যপ্রদেশের. ঝাবুয়া জেলার ধাওড়া গ্রামে | জন্ম তারিখ 1906 সালের 23 শে জুলাই | বাবার নাম পন্ডিত সীতারাম তিওয়ারি | পন্ডিত বংশের সন্তান ছিলেন চন্দ্রশেখর | তাঁকে প্রথম জীবনে টোলে পড়াশোনা করতে হয়েছিল | তাঁর পিতার ইচ্ছা ছিল ছেলে বিখ্যাত সংস্কৃত পন্ডিত হয়ে উঠবেন | মাত্র 15 বছর বয়সে বেনারস সেন্ট্রাল কলেজের. ছাত্র হিসেবে অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন | তখন তাঁকে প্রথম গ্রেপ্তার বরণ করতে হয় | আদালতের আত্মপরিচয়ে তিনি নিজেকে আজাদ বা স্বাধীন বলে পরিচিত করেছিলেন | তখন থেকেই এই নামটি তার সাথে জুড়ে গেছে | তাঁকে পনেরো বার বেত্রাঘাতের সাজা দেওয়া হয় |  এই সময় পর্যন্ত চন্দ্রশেখর ছিলেন মহাত্মা গান্ধীর একান্ত অনুগামী | ব্রিটিশদের হাত নিগৃহীত হবার পর এই পন্থা ত্যাগ করে সশস্ত্র বিপ্লবী হয়ে ওঠেন. | যোগাযোগ হয় বে...

নীল আলোর ভালু দ্বীপ

এক সংস্কৃত ‘দ্বীপমালা’ শব্দ থেকেই মালদ্বীপের উৎপত্তি। আবার অনেকে মনে করেন- ‘মালে দিভেই রাজে’-এই কথা থেকে মালদ্বীপ শব্দটির উদ্ভব। ‘মালে দিভেই রাজে’-এই কথার অর্থ, ‘দ্বীপরাজ্য’। ‘মহলদ্বীপ’ থেকেও মালদ্বীপের উৎপত্তি অনেকে মনে করেন। মহল মানে প্রাসাদ। ২৬ টি অ্যাটোল নিয়ে গঠিত মালদ্বীপ। অ্যাটোল মানে লেগুন ঘেরা প্রবালদ্বীপ। ২৬ টি অ্যাটোল আর ১১৯২ টি ক্ষুদ্র দ্বীপ নিয়ে মালদ্বীপ দেশ। এর মধ্যে মাত্র ২০০টি বাসযোগ্য। ইতিহাস থাক। মালদ্বীপ হচ্ছে স্বর্গরাজ্য। প্রকৃতি তার অপরূপ রূপ যেন ঢেলে দিয়েছে সেখানে। বিশাল সমুদ্র, নীল আকাশ আর প্রবাল দ্বীপ। দ্বীপে দ্বীপে অসাধারণ সব সমুদ্র সৈকত। ঈদ-পূজোর ছুটিতে ঘুরে আসতে পারেন মালদ্বীপ থেকে। দেখে আসতে পারেন মালদ্বীপের বিস্ময়কর এক সমুদ্র সৈকত। সেই সমুদ্র সৈকতে সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে ঢেউয়ের সাথে ভেসে আসে লক্ষ লক্ষ তারা। মিথ্যে বলছি না একদম! দেখুন ছবিতেই কেমন লাখে লাখে তারা সৈকতে নেমে এসেছে। বিস্ময়কর না? সৈকতে যেন তারাবাতি জ্বালিয়ে দিয়েছে কেউ। এই তারাবাতির রহস্য প্রকৃতির আরেক রহস্য। মনে হয় প্রকৃতি সৈকতকে সাজিয়ে দিয়েছে ফ্লুরোসেন্ট লাইটে। মিটিমিট নীল আলোয় ত...

*আধুনিক ছাপাখানার ইতিহাস*

মানব সভ্যতায় বইয়ের ইতিহাস প্রায় ৩ হাজার বছর পুরানো হলেও পঞ্চদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি পর্যন্ত সেসব বই ছিল হাতে লেখা। বই ছাপার কিছু প্রাচীন ধারণার সন্ধান চীনে পাওয়া গেলেও সেসব বইয়ের সঙ্গে আধুনিক বই ছাপানোর পদ্ধতিতে রয়েছে বিস্তর পার্থক্য। সব মিলিয়ে বই ছিল তখন অত্যন্ত মূল্যবান, যে কারণে বেশিরভাগ বই গির্জা, রাজার তহবিল ও এই ধরণের অত্যন্ত শক্তিশালী ও ধনী প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রয় করত। এছাড়া অল্প সংখ্যক বই শিক্ষিত ও অত্যন্ত ধনী ব্যক্তিগণ ক্রয় করতেন। পরবর্তীতে জার্মান অবিষ্কারক জোহানেস গুটেনবার্গ আধুনিক ছাপাখানার আবিষ্কার করলে অতি দ্রুতই তা পুরো জার্মানীসহ ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, স্পেন, হল্যান্ড এবং ইউরোপের অন্যান্য বেশ কিছু অঞ্চলে পৌঁছে যায়। আধুনিক ছাপাখানার পূর্বের অবস্থা বর্তমান যুগের আধুনিক সভ্যতার সবচেয়ে বড় নিয়ামক মানা হয় গুটেনবার্গের এই আধুনিক ছাপাখানার আবিষ্কারকে। গুটেনবার্গের ছাপাখানা আবিষ্কার না হলে আধুনিক সভ্যতার কোনো উপকরণই বাস্তবায়ন সম্ভব হত না। ছাপাখানা আবিষ্কার হওয়ায় ও পরবর্তীতে এই আবিষ্কার ছড়িয়ে পড়ায় বইয়ের দাম জনসাধারণের নাগালে আসে। ক্রমেই ছড়িয়ে পড়ে শিক্ষার আলো। এরই হাত ধরে...

প্রাচীন ট্রয় নগরী

ইতিহাস বলতে আসলে কি বোঝায়? প্রাচীন আমলের কিছু ছবি নাকি ভাঙা কিছু পাত্রের টুকরো? নাকি ইতিহাস বলতে বোঝায় জানা অজানা নানা কাহিনীর মিশেল, যার ফলে আমরা হয়ে উঠি চমকিত, যার ফলে আমাদের মনে জাগে নানা ধরণের প্রশ্ন? প্রত্নতাত্ত্বিকেরা কিংবা বিজ্ঞানীরা কেন ইতিহাস নিয়ে নাড়াচাড়া করেন? বর্তমানের এই উন্নত প্রযুক্তির যুগে ইতিহাসের সাথে বসবাস কি আদৌ কোন প্রয়োজন আছে কি? হ্যাঁ আছে। ইতিহাস থেকে আমরা পাই শিক্ষা, ইতিহাস থেকে আমরা পাই অজানা নানা তথ্য। মিশরের পিরামিডের এত সুউচ্চ পাথরগুলো কি করে প্রাচীন মানুষরা এত উচ্চে নিয়ে গেলেন, তা নিয়ে আজো আমাদের মনে নানা ধরণের প্রশ্ন জাগে। কেমন করে এসব প্রশ্নের জবাব পাব আমরা? এর মাঝেই প্রত্নতাত্ত্বিকেরা তাদের কাজের মাধ্যমে আমাদের সামনে নিয়ে আসেন নতুন নতুন তথ্য। মেলে দেন তথ্যের ঝাঁপি। আজ সে ঝাঁপি থেকেই আপনাদের জন্য আয়োজন। প্রাচীন ট্রয় নগরীর ইতিকথাঃ ট্রয়ঃ পৃথিবীতে যত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান নিয়ে বিতর্ক হয়েছে, ট্রয় নগরী নিঃসন্দেহে তাদের মাঝে প্রথম সারিতে অবস্থান করবে। হোমারের অমর গাঁথা “ইলিয়াড”-এ ট্রয় নগরী নিয়ে বিশদ বর্ণনা দেয়া আছে। এখান থেকেই ট্রয় নগরীর উদ্ভব। ট্রোজা...